Advance SEO Part 1: Abdullah Mamun Vai
আর অ্যাডভান্স লেভের ৫টি আর্টিকেল প্রকাশ করবো, তাহলে আমর বাসিক থেকে
অ্যাডভান্স এসইও এবং রিটেডেট বিষয়গুলি কভার শেষ হবে। শিগ্রই সব গুলি প্রকাশ
করবো ।
https://web.facebook.com/groups/288743131842536/
এবং আমার দায়িত্ব থেকে মুক্ত হতে চাই। আমি শুধুমাত্র নতুন অবস্থায় কাজ শিখার জন্য যে জ্বালা যন্ত্রনা অপমান অবহেলা পেয়েছি তা যাতে অন্যেদের না করতে হয় সেই উদ্দেশ্যে কোন প্রকার স্বার্থ ছাড়া পর্যায়ক্রমে সব বিষয় বিস্তারিত বাসিক থেকে অ্যাডভান্স বিষয় পাবলিশ করেছি।
ভালো থাকবেন, আর ৫টি আর্টিকেল আজকেই প্রকাশ করবো, ভুল হলে আমায় ক্ষমা করে দিবেন,কাউকে কস্ট দিলে মাফ করে দিবেন।
আর যদি কোন সাহায্য প্রয়োজন পরে তাহলে আমি নিচে একটি গ্রুপ লিংক দিচ্ছি সেই গ্রুপ এ পোষ্ট করবেন এবং আমাকে ট্যাগ করবেন, যদি জানি হেল্প করবো। অথবা ট্যাগ করবেন। ইনবক্সে এ শত ম্যাসেজ এর ভিরে নাও উত্তর পাওয়া যেতে
যেহেতু এটি অ্যাডভান্স লেভেলের তাই নতুনরাও যাতে বুঝতে পারে সেজন্য একটু বিস্তারিত লিখেছি, অভিজ্ঞরা বিরক্ত হবেন না।
গুগল অ্যালগরিদমে ২০০টি রাংকিং ফাক্টর রয়েছে , এর মধ্যে ৩টি প্রধান ফাক্টর হলো:
১।কন্টেন্ট
২।ব্যাকলিংকস
৩।র্যাংকব্রেইন
আমি সোজা বাংলায় র্যাংকব্রেইন নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করবো: শুরু করা যাক-
১। : র্যাংকব্রেইন “ কিভাবে কাজ করে সেটি ভালো ভাবে শিখতে হবে। কারণ আপনি যদি র্যাংকব্রেইন কিভাবে কাজ করে সেটি বুঝতে পারেন তাহলে আপনি সঠিক ভাবে আপনি ওয়েবপেইজ কে অপটিমােইজ না করলে গুগল “সার্প” এ আনলেও টিকে রাখতে পারবেন না। র্যাংকব্রেইন এ গুগল অ্যালগরিদম কে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স এর ফলাফল পাঠায়। র্যাংকব্রেইন বিষয়ের মধ্যে ২টি হলো:-: ক) ডিওয়েল টাইম, খ) সিটিআর।
Rankbrain হলো machine learning and artificial intelligence algorithms । Rankbrain খুবই intelligence . যেমন: যদি আপনি লিখেন- “মার্ক জুকার বার্গের বয়স কত? তাহলে সাথে সাথে প্রদর্শন করবে তার রিয়েল বয়স কত। আপনি ২*২ লিখলে এর গুনফল শো করবে। আপনি যদি বাংলাদেশ 9 টা বর্তমানে ইউএস এ কত সাথে সাথে ইউএসএর টাইম দেখাবে। এর ২*২, মার্ক জুকারবার্গের এসব কিস্তু কন্টেন্ট থেকে কালেক্ট করেই রেজাল্ট প্রদর্শিত হয়। আর যেসব সাইট থেকে ডাটা কালেক্ট করেছে এবং এরকম ভালো তথ্য রয়েছে সেই পেইজ গুলো কে গুগল প্রথম পেইজ এ দেখাবে। কিন্তু Rankbrain কে যদি আপনার কন্টেন্ট ভালো প্রমান করতে না পারেন তাহলে গুগল আপনার কন্টেন্ট কে পর্যায়ক্রমে নিচের দিকে আনবে এবং রাংকব্রেইন যেটিকে ভালো চোখে দেখে বা কোয়ালিটিফুল কেন্টেন্ট উপরে উঠতে থাকবে।
Rankbrain কিভাবে কাজ করে? যখন ইউজার কোন কুয়েরি লিখে সার্চ করে তখন, Rankbrain এনালাইসিস করে ভালো/কোয়ালিটি ফুল আর্টিকেল প্রদশন করে। আর এই কোয়ালিটি কন্টেন্ট থেকে ইউজার এক্সপেরিন্স থেকে ডাটা কালেক্ট করে , ডাটা কালেক্ট করার পর Rankbrain যদি সিদ্ধান্ত নেই যে এই কন্টেন্ট টা ইউজার ফেন্ডলি তাহলে গুগল অ্যালগরিদম পাঠায় তখন সেই রেজাল্ট প্রদর্শিত হয়।
Dwell Time: The amount of time visitor stays on the webpage. Dwell time is used as a ranking signal.
১) Dwell কখন কম হয়? যখন একজন ইউজার কোন কুয়েরি লিখে সার্চ করলো, তারপর আপনার ওয়েবসাইটটি আসলো টপ 10 এর মধ্যে। যখন সেই কাষ্টমার/ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট এ তিনি যা চান বা যে সমস্যার সমাধান চান কিন্তু পেলেন না, তখন ওই ভিজিটর ব্যাক করে এবং সার্প এ থাকা বেটার ওয়েবসাইটে ভিজিট করে এবং নিজের সমস্যার সমাধান বা তথ্য খুজে নেয়।
কারণ: যখন কন্টেন্ট কোয়ালিটি লো
২) Dwell মধ্যম পর্যায়: যখন ইউজার সার্চ করে একটি ১০টি রেজাল্ট পেলো , সেখান থেকে ধরেন আপনার ওয়েবপেইজ এ ভিজিট করলো, তখন ভিজিটর দেখলো যে আপনার কন্টেন্ট মোটামোটি ভালো, কিন্তু পুরো পুরি ভালো না। তখন ইউজার কিছু সময় ওই পেইজ এ থাকে তার পর ব্যাক করে তার চেয়ে ভালো কন্টেন্ট খোজ করে। এভাবে Dwell টাইম কিছু সময় পাওয়া যায়।
কারণ: আপনার ওয়েবপেইজটি মোটামোটি ভালো কিন্তু পুরোপুরি ভালো না বা ইউজার ফেন্ডলি না।
৩) Dwell ভালো পর্যায়: যখন একজন ইউজার আপনি পেইজ এ ভিজিট করে, তখন দেখলো যে আপনার কন্টেন্ট ভালো , ইউজার ফ্রেন্ডলি, কমপ্লিট সমাধান রয়েছে তখন ইউজার সমস্যার সমাধান বা পুরো তথ্য নিয়ে বের হয় যায়। Dwell এভাবে ভালো পাওয়া গেল।
কারণ” আপনার কন্টেন্ট ভালো, ইউজার ফেন্ডলি
Dwell টাইম এর অর্থ হলো:
১)একজন ইউজার কখন ওয়েবপেইজ এ ভিজিট করলো
২) ওয়েবপেইজ কতক্ষণ সময় ধরে থাকলো
৩) কখন ওয়েবপেইজ বন্ধ করলো।
Dwell বাড়ানোর উপায়:
১।আপনার কন্টেন্ট কোয়ালিটিফুল হতে হবে।
২। ইউজার ফেন্ডলি হতে হবে
৩। ইউআই অথ্যাত আপনার সাইটের ডিজাইন ভালো হতে হবে।
৪। ওয়েবসাইট এর স্পিড অপটিমাইজ করে দ্রুত লোড করাতে হবে
৫। আপনার ওয়েবপেইজ এ যথেষ্ট মাল্টিমিডিয়া(ছবি.ভিডিও,ইনফোগ্রাফি) ব্যবহার করতে হবে।
৬। ইউজার এর চাহিদার চেয়েও এক্সট্রা কিছু উপহার দিতে হবে। যেমন: কেই যদি পরিক্ষার রুটিন খোজে তাহলে যেহেতু কয়েকদিন পর পরিক্ষা সেজন্য কিছু সাজেশান, পরিক্ষার ভালো করার উপায় ইত্যাদি দিতে পারেন।
৭। কন্টেন্ট লেন্থ অবশ্যই মিডিয়াম বা বড় হতে হবে । যেমন: 300+
The average Dwell Time for a Top 10 Google result is 3 minutes and 10 seconds.
2) “CTR“ (Click Through Rate):
CTR= click through rate. আপনার কন্টেন্ট যদি গুগল এ র্যাংক করে তাহলে এর মানে এই নয় যে, আপনার কন্টেন্ট গুগল এ র্যাংক সব সময় ই থাকবে। আপনার র্যাংককৃত কন্টেন্ট র্যাংকব্রেইন অ্যানালাইসিস করে , তারপর এই অ্যানালাইসের ফলাফল গুগল অ্যালগরিদমে পাঠায়। যদি আপনার কন্টেন্ট র্যাংকব্রেইনিং এর কাছে কোয়ালিটি ফূল মনে হয় তাহলে আপনার র্যাক কৃত কন্টেন্ট নিচে থাকে তাহলে আরো উপরে উঠবে আর যদি প্রথমেই থাকে তাহলে স্থায়ী প্রথমেই থাকবে । যতক্ষন না র্যাংকব্রেইন এর রুলস ভঙ্গ হয়।উপরে এ ব্যপারে আলোচনা করেছি।
CTR: যদি আপনার র্যাককৃত কন্টেন্ট এ ইউজার ক্লিক না করে তাহলে CTR কমতে থাকবে , আর যদি ক্লিক এর পরিমান বেশি হয় তাহলে CTR বাড়তে থাকল।
উদাহারণ: আপনার যদি একটি পোষ্ট প্রথম পেইজ এর 10 নম্বর পজিশন এ থাকে, আর যদি সেই পোষ্ট এ ইউজার পর্যাপ্ত ক্লিক না করে তাহলে আপনার পোষ্টটি আস্তে আস্তে নিচে নামতে থাকবে। আর যদি আপনার 10 নম্বর এর থাকা পোষ্টটিতে ইউজার পর্যাপ্ত ক্লিক করলো তাহলে আপনার পোষ্টটি আস্তে আস্তে র্যাক এর উপরের দিতে উঠতে থাকবে।
এই CTR বা কতজন ইউজার ক্লিক করলো এটি র্যাংকব্রেইন তথ্য সংগ্রহ করে এবং গুগল অ্যালগরিদম এ পাঠায়, র্যাংকব্রেইন দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গুগল রাংকিং দেয়।
CTR কিভাবে হিসাব করে: ইমপ্রেশন ভাগ ক্লিক এর পরিমান। ইমপ্রেশন কে ক্লিক এর পরিমান দিয়ে ভাগ করলেই CTR এর পরিমান পাওয়া যায়।
উদাহারণ: আপনার পোষ্টটির উপর ১০০ জন মাউস নিয়ে গেল কিন্তু কেই ক্লিক করলো না বাট করলেও ১জন মানে 0.01% এটি রাংকিং ফাক্টরের খারাপ প্রভাব ফেলে।
সর্বশেষ: কিভাবে CTR বাড়াবেন?
CTR বাড়াতে হলে-
১। আপনার টাইটেল আকর্ষনীয় হতে হবে, যাতে ইউজার ক্লিক করার প্রবণতা বাড়ে
২। আপনার কিওয়ার্ড এর সাথে “টপ ১০, ২০১৯, বেষ্ট” এর লেখা যোগ করা ইত্যাদি।
৩। মেটােডেস্ক্রিপশ এ আপনার আর্টিকেল সম্পর্কিত আকর্ষনীয় কিছু লিখা যাতে মানুষ বৃুঝতে পারে আপনার পোষ্টটি সেরা এবং কোয়ালিটি ফুল। কারণ একইরকম পোষ্ট অনেক রয়েছে। আপনাকে প্রমান করতে হবে যে আপনার পোষ্টটি সেরা। এভাবেই র্যার্ক ব্রেইন তথ্য গুগল এ পাঠায় , এবং র্যার্কব্রেইন এর সিদ্ধান্দ অনুযায়ী র্যাংকিং উপরে নিচে করে।
মোটকথা: র্যাংক করা বড় ব্যপার না, যুদ্ধ করে র্যাংক টিকিয়ে রাখাই বড় ব্যাপার-আব্দুল্লাহ মামুন।
যদি এই পোষ্ট টি ভালো লাগে, উপকার হয় তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন , আর যদি কিছু বুঝতে না পারেন তাহলে কমেন্ট করুন,জানানো চেষ্টা করবো, ভুল হলে শুধরে দিবেন।
এতগুলো লিখলাম এখন এক লাইনে আপনার বুঝিয়ে দেই:
যদি আমার এই পোষ্ট আপনাদের ভালো না লাগে , কমেন্ট না করেন, শেয়ার না করেন তাহলে আমি মনে করবো আমার এই পোষ্ট আপনাদের জন্য উপকারি না , তখন একটি খারাপ প্রভাব ফেলবে, তখন আমার থেকে যে ভালো এ বিষয়ে লিখতে পারবে তার পোষ্টটি পড়বেন। এভাবে ভালো পোষ্ট উপরে গেল আর আমার পোষ্টটি নিচে চলে গেল। এভাবে র্যাংক ব্রেইন কাজ করে।
https://web.facebook.com/groups/288743131842536/
এবং আমার দায়িত্ব থেকে মুক্ত হতে চাই। আমি শুধুমাত্র নতুন অবস্থায় কাজ শিখার জন্য যে জ্বালা যন্ত্রনা অপমান অবহেলা পেয়েছি তা যাতে অন্যেদের না করতে হয় সেই উদ্দেশ্যে কোন প্রকার স্বার্থ ছাড়া পর্যায়ক্রমে সব বিষয় বিস্তারিত বাসিক থেকে অ্যাডভান্স বিষয় পাবলিশ করেছি।
ভালো থাকবেন, আর ৫টি আর্টিকেল আজকেই প্রকাশ করবো, ভুল হলে আমায় ক্ষমা করে দিবেন,কাউকে কস্ট দিলে মাফ করে দিবেন।
আর যদি কোন সাহায্য প্রয়োজন পরে তাহলে আমি নিচে একটি গ্রুপ লিংক দিচ্ছি সেই গ্রুপ এ পোষ্ট করবেন এবং আমাকে ট্যাগ করবেন, যদি জানি হেল্প করবো। অথবা ট্যাগ করবেন। ইনবক্সে এ শত ম্যাসেজ এর ভিরে নাও উত্তর পাওয়া যেতে
যেহেতু এটি অ্যাডভান্স লেভেলের তাই নতুনরাও যাতে বুঝতে পারে সেজন্য একটু বিস্তারিত লিখেছি, অভিজ্ঞরা বিরক্ত হবেন না।
গুগল অ্যালগরিদমে ২০০টি রাংকিং ফাক্টর রয়েছে , এর মধ্যে ৩টি প্রধান ফাক্টর হলো:
১।কন্টেন্ট
২।ব্যাকলিংকস
৩।র্যাংকব্রেইন
আমি সোজা বাংলায় র্যাংকব্রেইন নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করবো: শুরু করা যাক-
১। : র্যাংকব্রেইন “ কিভাবে কাজ করে সেটি ভালো ভাবে শিখতে হবে। কারণ আপনি যদি র্যাংকব্রেইন কিভাবে কাজ করে সেটি বুঝতে পারেন তাহলে আপনি সঠিক ভাবে আপনি ওয়েবপেইজ কে অপটিমােইজ না করলে গুগল “সার্প” এ আনলেও টিকে রাখতে পারবেন না। র্যাংকব্রেইন এ গুগল অ্যালগরিদম কে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স এর ফলাফল পাঠায়। র্যাংকব্রেইন বিষয়ের মধ্যে ২টি হলো:-: ক) ডিওয়েল টাইম, খ) সিটিআর।
Rankbrain হলো machine learning and artificial intelligence algorithms । Rankbrain খুবই intelligence . যেমন: যদি আপনি লিখেন- “মার্ক জুকার বার্গের বয়স কত? তাহলে সাথে সাথে প্রদর্শন করবে তার রিয়েল বয়স কত। আপনি ২*২ লিখলে এর গুনফল শো করবে। আপনি যদি বাংলাদেশ 9 টা বর্তমানে ইউএস এ কত সাথে সাথে ইউএসএর টাইম দেখাবে। এর ২*২, মার্ক জুকারবার্গের এসব কিস্তু কন্টেন্ট থেকে কালেক্ট করেই রেজাল্ট প্রদর্শিত হয়। আর যেসব সাইট থেকে ডাটা কালেক্ট করেছে এবং এরকম ভালো তথ্য রয়েছে সেই পেইজ গুলো কে গুগল প্রথম পেইজ এ দেখাবে। কিন্তু Rankbrain কে যদি আপনার কন্টেন্ট ভালো প্রমান করতে না পারেন তাহলে গুগল আপনার কন্টেন্ট কে পর্যায়ক্রমে নিচের দিকে আনবে এবং রাংকব্রেইন যেটিকে ভালো চোখে দেখে বা কোয়ালিটিফুল কেন্টেন্ট উপরে উঠতে থাকবে।
Rankbrain কিভাবে কাজ করে? যখন ইউজার কোন কুয়েরি লিখে সার্চ করে তখন, Rankbrain এনালাইসিস করে ভালো/কোয়ালিটি ফুল আর্টিকেল প্রদশন করে। আর এই কোয়ালিটি কন্টেন্ট থেকে ইউজার এক্সপেরিন্স থেকে ডাটা কালেক্ট করে , ডাটা কালেক্ট করার পর Rankbrain যদি সিদ্ধান্ত নেই যে এই কন্টেন্ট টা ইউজার ফেন্ডলি তাহলে গুগল অ্যালগরিদম পাঠায় তখন সেই রেজাল্ট প্রদর্শিত হয়।
Dwell Time: The amount of time visitor stays on the webpage. Dwell time is used as a ranking signal.
১) Dwell কখন কম হয়? যখন একজন ইউজার কোন কুয়েরি লিখে সার্চ করলো, তারপর আপনার ওয়েবসাইটটি আসলো টপ 10 এর মধ্যে। যখন সেই কাষ্টমার/ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট এ তিনি যা চান বা যে সমস্যার সমাধান চান কিন্তু পেলেন না, তখন ওই ভিজিটর ব্যাক করে এবং সার্প এ থাকা বেটার ওয়েবসাইটে ভিজিট করে এবং নিজের সমস্যার সমাধান বা তথ্য খুজে নেয়।
কারণ: যখন কন্টেন্ট কোয়ালিটি লো
২) Dwell মধ্যম পর্যায়: যখন ইউজার সার্চ করে একটি ১০টি রেজাল্ট পেলো , সেখান থেকে ধরেন আপনার ওয়েবপেইজ এ ভিজিট করলো, তখন ভিজিটর দেখলো যে আপনার কন্টেন্ট মোটামোটি ভালো, কিন্তু পুরো পুরি ভালো না। তখন ইউজার কিছু সময় ওই পেইজ এ থাকে তার পর ব্যাক করে তার চেয়ে ভালো কন্টেন্ট খোজ করে। এভাবে Dwell টাইম কিছু সময় পাওয়া যায়।
কারণ: আপনার ওয়েবপেইজটি মোটামোটি ভালো কিন্তু পুরোপুরি ভালো না বা ইউজার ফেন্ডলি না।
৩) Dwell ভালো পর্যায়: যখন একজন ইউজার আপনি পেইজ এ ভিজিট করে, তখন দেখলো যে আপনার কন্টেন্ট ভালো , ইউজার ফ্রেন্ডলি, কমপ্লিট সমাধান রয়েছে তখন ইউজার সমস্যার সমাধান বা পুরো তথ্য নিয়ে বের হয় যায়। Dwell এভাবে ভালো পাওয়া গেল।
কারণ” আপনার কন্টেন্ট ভালো, ইউজার ফেন্ডলি
Dwell টাইম এর অর্থ হলো:
১)একজন ইউজার কখন ওয়েবপেইজ এ ভিজিট করলো
২) ওয়েবপেইজ কতক্ষণ সময় ধরে থাকলো
৩) কখন ওয়েবপেইজ বন্ধ করলো।
Dwell বাড়ানোর উপায়:
১।আপনার কন্টেন্ট কোয়ালিটিফুল হতে হবে।
২। ইউজার ফেন্ডলি হতে হবে
৩। ইউআই অথ্যাত আপনার সাইটের ডিজাইন ভালো হতে হবে।
৪। ওয়েবসাইট এর স্পিড অপটিমাইজ করে দ্রুত লোড করাতে হবে
৫। আপনার ওয়েবপেইজ এ যথেষ্ট মাল্টিমিডিয়া(ছবি.ভিডিও,ইনফোগ্রাফি) ব্যবহার করতে হবে।
৬। ইউজার এর চাহিদার চেয়েও এক্সট্রা কিছু উপহার দিতে হবে। যেমন: কেই যদি পরিক্ষার রুটিন খোজে তাহলে যেহেতু কয়েকদিন পর পরিক্ষা সেজন্য কিছু সাজেশান, পরিক্ষার ভালো করার উপায় ইত্যাদি দিতে পারেন।
৭। কন্টেন্ট লেন্থ অবশ্যই মিডিয়াম বা বড় হতে হবে । যেমন: 300+
The average Dwell Time for a Top 10 Google result is 3 minutes and 10 seconds.
2) “CTR“ (Click Through Rate):
CTR= click through rate. আপনার কন্টেন্ট যদি গুগল এ র্যাংক করে তাহলে এর মানে এই নয় যে, আপনার কন্টেন্ট গুগল এ র্যাংক সব সময় ই থাকবে। আপনার র্যাংককৃত কন্টেন্ট র্যাংকব্রেইন অ্যানালাইসিস করে , তারপর এই অ্যানালাইসের ফলাফল গুগল অ্যালগরিদমে পাঠায়। যদি আপনার কন্টেন্ট র্যাংকব্রেইনিং এর কাছে কোয়ালিটি ফূল মনে হয় তাহলে আপনার র্যাক কৃত কন্টেন্ট নিচে থাকে তাহলে আরো উপরে উঠবে আর যদি প্রথমেই থাকে তাহলে স্থায়ী প্রথমেই থাকবে । যতক্ষন না র্যাংকব্রেইন এর রুলস ভঙ্গ হয়।উপরে এ ব্যপারে আলোচনা করেছি।
CTR: যদি আপনার র্যাককৃত কন্টেন্ট এ ইউজার ক্লিক না করে তাহলে CTR কমতে থাকবে , আর যদি ক্লিক এর পরিমান বেশি হয় তাহলে CTR বাড়তে থাকল।
উদাহারণ: আপনার যদি একটি পোষ্ট প্রথম পেইজ এর 10 নম্বর পজিশন এ থাকে, আর যদি সেই পোষ্ট এ ইউজার পর্যাপ্ত ক্লিক না করে তাহলে আপনার পোষ্টটি আস্তে আস্তে নিচে নামতে থাকবে। আর যদি আপনার 10 নম্বর এর থাকা পোষ্টটিতে ইউজার পর্যাপ্ত ক্লিক করলো তাহলে আপনার পোষ্টটি আস্তে আস্তে র্যাক এর উপরের দিতে উঠতে থাকবে।
এই CTR বা কতজন ইউজার ক্লিক করলো এটি র্যাংকব্রেইন তথ্য সংগ্রহ করে এবং গুগল অ্যালগরিদম এ পাঠায়, র্যাংকব্রেইন দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গুগল রাংকিং দেয়।
CTR কিভাবে হিসাব করে: ইমপ্রেশন ভাগ ক্লিক এর পরিমান। ইমপ্রেশন কে ক্লিক এর পরিমান দিয়ে ভাগ করলেই CTR এর পরিমান পাওয়া যায়।
উদাহারণ: আপনার পোষ্টটির উপর ১০০ জন মাউস নিয়ে গেল কিন্তু কেই ক্লিক করলো না বাট করলেও ১জন মানে 0.01% এটি রাংকিং ফাক্টরের খারাপ প্রভাব ফেলে।
সর্বশেষ: কিভাবে CTR বাড়াবেন?
CTR বাড়াতে হলে-
১। আপনার টাইটেল আকর্ষনীয় হতে হবে, যাতে ইউজার ক্লিক করার প্রবণতা বাড়ে
২। আপনার কিওয়ার্ড এর সাথে “টপ ১০, ২০১৯, বেষ্ট” এর লেখা যোগ করা ইত্যাদি।
৩। মেটােডেস্ক্রিপশ এ আপনার আর্টিকেল সম্পর্কিত আকর্ষনীয় কিছু লিখা যাতে মানুষ বৃুঝতে পারে আপনার পোষ্টটি সেরা এবং কোয়ালিটি ফুল। কারণ একইরকম পোষ্ট অনেক রয়েছে। আপনাকে প্রমান করতে হবে যে আপনার পোষ্টটি সেরা। এভাবেই র্যার্ক ব্রেইন তথ্য গুগল এ পাঠায় , এবং র্যার্কব্রেইন এর সিদ্ধান্দ অনুযায়ী র্যাংকিং উপরে নিচে করে।
মোটকথা: র্যাংক করা বড় ব্যপার না, যুদ্ধ করে র্যাংক টিকিয়ে রাখাই বড় ব্যাপার-আব্দুল্লাহ মামুন।
যদি এই পোষ্ট টি ভালো লাগে, উপকার হয় তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন , আর যদি কিছু বুঝতে না পারেন তাহলে কমেন্ট করুন,জানানো চেষ্টা করবো, ভুল হলে শুধরে দিবেন।
এতগুলো লিখলাম এখন এক লাইনে আপনার বুঝিয়ে দেই:
যদি আমার এই পোষ্ট আপনাদের ভালো না লাগে , কমেন্ট না করেন, শেয়ার না করেন তাহলে আমি মনে করবো আমার এই পোষ্ট আপনাদের জন্য উপকারি না , তখন একটি খারাপ প্রভাব ফেলবে, তখন আমার থেকে যে ভালো এ বিষয়ে লিখতে পারবে তার পোষ্টটি পড়বেন। এভাবে ভালো পোষ্ট উপরে গেল আর আমার পোষ্টটি নিচে চলে গেল। এভাবে র্যাংক ব্রেইন কাজ করে।

This comment has been removed by the author.
ReplyDelete