Strategies to get Google ranking fast for website 2019.
Strategies to get Google ranking fast for website 2019.
কিভাবে আপনার ওয়েবসাইটকে গুগল র্যাংকিং এ নিয়ে আসবেন কিছূ সংক্ষিপ্ত আলোচনা করার চেষ্টা করছি। ইনশাআল্লাহ।
পর্ব-1, পর্ব-2 এ অনপেইজ এর সকল বিষয় এক সাথে আলোচনা করব।
১। সফটওয়ার নির্ভর না হওয়া: “কন্টেন্ট ইজ কিং” সো আপনি ৮০% সময় দিন ভালো কন্টেন্ট প্রডিউস করার পেছনে, ১০-২০% সময় দিন সফটওয়ার এর পিছনে । কারণ সফটওয়ার র্যাংকিং এ খুব গুরুত্ব রাখবে না, কিন্তু কন্টেন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সফটওয়ার ব্যবহার করতে পারেন কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য, ব্যাকিলিংক চেক ইত্যাদি কাজের জন্য।
সুতরাং ভালো পণ্য তৈরী করুন/ভালো কন্টেন্ট লিখুন।
২। অনপেইজ: দেখুন আপনি যতো ভালোই কোয়ালিটি কন্টেন্ট লিখুন না কেন, কোন উপকারে আসবে না যদি আপনার পোষ্টটি প্রপারলি ভাবে অনপেইজ করা না থাকে। সুতরাং র্যার্কিং এর প্রথম শর্ত হলো অনপেইজ ঠিক করতে হবে।
যেমন:
১। এইচ ১, এইচ ২, এইচ ৩ ট্যাগ সঠিকভাবে ব্যবহার করা। এবং কিওয়ার্ড ব্যবহার করা
২। ইমেইজ অপটিমাইজ করা (অলটার ট্যাগ ইউজ করা)
৩। সঠিকভাবে পোষ্টটের মধ্যে আপনার রিসার্চকৃত টার্গেট কিওয়ার্ড বসিয়ে দেওয়া।
৪। মেটা ডেস্ক্রিপশন ক্লিন রাখা এবং কিওয়ার্ড রাখা।
৫। টাইটেল এ কিওয়ার্ড রাখা।
৬। এলএসআই কিওয়ার্ড ব্যবহার করা ইত্যাদি।
৩। পোস্টের কমেন্ট: আপনার লেখা পোষ্টটিতে যাতে ভিজিটর ওই পোষ্ট নিয়ে ডিসকাশন করতে পারে সেটি লক্ষ রাখা। কারণ গুগল যখন দেখে যে এই পোষ্টটি নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা হচ্ছে সুতরাং এটি ভালো কন্টেন্ট সুতরাং এই পোষ্টটি র্যাংক দিবে।
নোট: ভালো/খারাপ সব কমেন্ট ই আপপ্রোভ করবেন এবং সব গুলোর উত্তর দিবেন এভাবে আপনার ওই পোষ্ট গুগলের কাছে গুরুত্ব পাবে।
৩। স্যোশারি মিডিয়া শেয়ারিং: আপনি আপনার পোষ্টটিকে ভালো সব স্যোশাল মিডিয়াতে পোষ্ট করুন, স্যোশাল মিডিয়া সিগনাল র্যাংকিং এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। কারণ কি জানেন? কারণ হচ্ছে যখন আপনার পোষ্টটি অনেকে শেয়ার করবে কমেন্ট করবে তখন গুগল ওই কন্টেন্ট কে ভালো/কোয়ালিটি কন্টেন্ট মনে করবে ।
৪। আপনার পোষ্টের নিচে সোশাল শেয়ারিং বাটন যুক্ত করে দিবেন
৫। আপনার পোষ্টের শেষে অথর বায়ু যুক্ত করুন। এভাবে পোষ্টটি অথেনটিক হয়।
৬। আপনার নতুন পোষ্টর সাথে পুরাতন পোষ্ট লিংক করে দিন(ইন্টারনাল লিংক) , সুবিধা হলো গুগল রোবট যখন আপনার নতুন পোষ্ট এ আসবে তখন আপনার দেওয়া লিংকটি ও ঘুরে দেখবে ক্রল করবে এবং সেটিও র্যাংক করবে । আরেকটি সুবিধা হলো গুগল আপনার কন্টেন্টটি যে মান সম্মত তা বুঝবে কারণ এই রিলেটেড আপনার কাছে আরো তথ্য পোষ্ট করা আছে।
৭। আউট বাউন্ড লিংক: আউট বাউন্ড বলতে আপনার পোষ্ট থেকে অন্য আরেকজনের পোষ্ট এর লিংক দেওয়া। এটা অনেকটাই রেফারেন্স এর মতো কাজ করে। যেমন: বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত এ বিষয়ে লিখলেন, এ বিষয়ে আপনি কোথা থেকে জেনেছেন এবং এ বিষয়ে আরো তথ্য কোথায় আছে, তা উল্লেখ্য করলেন । গুগল বুঝলো যে এটা মান স্ম্মত কন্টেন্ট িঅনেক তথ্য রয়েছে এবং অধিক তথ্য দেওয়ার জন্য আরেকটি আরেকটি পোষ্ট কে রেফার করছে।
৮। ভিজিটর এর সাথে সম্পর্ক: আপনি ভিজিটর এর সাথে এমন ভাবে কথা বলবেন মানে হচ্ছে যে এমন ভাবে লিখবেন যে এই পোষ্ট টি তার জন্য ই লেখা এবং এই পোষ্ট তার জন্য সেরা। যেমন: তুমি কি এইটা খুজছো? তুমি সঠিক জায়গায় এসেছো।
৯। সার্চ ইন্জিন কে টার্গেট না করে কাষ্টমার/ভিজিটর করলে টার্গেট করুন।তাহলে গুগল আপনাকে টার্গেক করবে েএবং র্যাংক দিবে।
যেমন:১। তথ্য সম্মৃদ্ধ পোষ্ট, ২। ইউজার যাতে সহজেই পড়তে পারে.৩। ডিজােইন যাতে ভালো হয় ইত্যাদি।
১০। আপনার ওয়েবসাইট এর লোড স্পিড কমানো। কারণ গুগল সর্বচ্চ সেবায় বিশ্বাসী। গুগল এর কাছে একজন এসে একটি বিষয় খোজ করলো আর গুগল এমন একটি সাইট এর পোষ্ট দেখালো যেটিতে প্রবেশ করতে ভিজিটর এর অনেক কষ্ট হবে । তাই এরকম সাইটকে গুগল র্যাংক দেয়না। তাই আপনার ওয়েবসাইট এর স্পিড বাড়াতে হবে।
যদি এই পর্বটি ভালো লাগে তাহলে এই বিষয়টি নিয়ে বাঁকি আরো তথ্য টিপস ট্রিকস নিয়ে আরেকটি পর্ব তৈরী করবো ।
খারাপ লাগলে কমেন্ট করে জানাবেন, ভালো লাগলেও জানাবেন। এটিই আমার চাওয়া কারণ আমি বুঝতে চাই যে কারো কাজে লাগতেছে কিনা, কারো যদি কাজে না লাগে তাহলে আমার সময় নষ্ট করে লিখে কি লাভ, বা আপনাদের মুল্যবান সময় নষ্ট করে কেন আমার পোষ্ট পড়বেন। ধন্যবাদ।
আরেকটি বিষয় জানিয়ে রাখি যে, একটি পোষ্ট লিখতে অনেক সময় লাগে, কিভাবে লিখলে সবাই বুঝতে পারবে এ সমস্ত কারণে অনেক সময় লাগবে সুতরাং আমার পোষ্ট ভালো লাগলে ওয়েট করবেন, কোয়ালিটি ফুল সব লেখা উপহার দিতে চাই! সপ্তাহে ২টি টিউটোরিয়াল বানাব।ধন্যবাদ পাশে থাকার জন্য।
বি:দ্র: অভিজ্ঞ ভাই যারা আছেন দয়া করে বিরক্ত হবেন না কারণ অনেকে নতুন আছে তাদের জন্য একটু সহজ করে লেখা
কিভাবে আপনার ওয়েবসাইটকে গুগল র্যাংকিং এ নিয়ে আসবেন কিছূ সংক্ষিপ্ত আলোচনা করার চেষ্টা করছি। ইনশাআল্লাহ।
পর্ব-1, পর্ব-2 এ অনপেইজ এর সকল বিষয় এক সাথে আলোচনা করব।
১। সফটওয়ার নির্ভর না হওয়া: “কন্টেন্ট ইজ কিং” সো আপনি ৮০% সময় দিন ভালো কন্টেন্ট প্রডিউস করার পেছনে, ১০-২০% সময় দিন সফটওয়ার এর পিছনে । কারণ সফটওয়ার র্যাংকিং এ খুব গুরুত্ব রাখবে না, কিন্তু কন্টেন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সফটওয়ার ব্যবহার করতে পারেন কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য, ব্যাকিলিংক চেক ইত্যাদি কাজের জন্য।
সুতরাং ভালো পণ্য তৈরী করুন/ভালো কন্টেন্ট লিখুন।
২। অনপেইজ: দেখুন আপনি যতো ভালোই কোয়ালিটি কন্টেন্ট লিখুন না কেন, কোন উপকারে আসবে না যদি আপনার পোষ্টটি প্রপারলি ভাবে অনপেইজ করা না থাকে। সুতরাং র্যার্কিং এর প্রথম শর্ত হলো অনপেইজ ঠিক করতে হবে।
যেমন:
১। এইচ ১, এইচ ২, এইচ ৩ ট্যাগ সঠিকভাবে ব্যবহার করা। এবং কিওয়ার্ড ব্যবহার করা
২। ইমেইজ অপটিমাইজ করা (অলটার ট্যাগ ইউজ করা)
৩। সঠিকভাবে পোষ্টটের মধ্যে আপনার রিসার্চকৃত টার্গেট কিওয়ার্ড বসিয়ে দেওয়া।
৪। মেটা ডেস্ক্রিপশন ক্লিন রাখা এবং কিওয়ার্ড রাখা।
৫। টাইটেল এ কিওয়ার্ড রাখা।
৬। এলএসআই কিওয়ার্ড ব্যবহার করা ইত্যাদি।
৩। পোস্টের কমেন্ট: আপনার লেখা পোষ্টটিতে যাতে ভিজিটর ওই পোষ্ট নিয়ে ডিসকাশন করতে পারে সেটি লক্ষ রাখা। কারণ গুগল যখন দেখে যে এই পোষ্টটি নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা হচ্ছে সুতরাং এটি ভালো কন্টেন্ট সুতরাং এই পোষ্টটি র্যাংক দিবে।
নোট: ভালো/খারাপ সব কমেন্ট ই আপপ্রোভ করবেন এবং সব গুলোর উত্তর দিবেন এভাবে আপনার ওই পোষ্ট গুগলের কাছে গুরুত্ব পাবে।
৩। স্যোশারি মিডিয়া শেয়ারিং: আপনি আপনার পোষ্টটিকে ভালো সব স্যোশাল মিডিয়াতে পোষ্ট করুন, স্যোশাল মিডিয়া সিগনাল র্যাংকিং এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। কারণ কি জানেন? কারণ হচ্ছে যখন আপনার পোষ্টটি অনেকে শেয়ার করবে কমেন্ট করবে তখন গুগল ওই কন্টেন্ট কে ভালো/কোয়ালিটি কন্টেন্ট মনে করবে ।
৪। আপনার পোষ্টের নিচে সোশাল শেয়ারিং বাটন যুক্ত করে দিবেন
৫। আপনার পোষ্টের শেষে অথর বায়ু যুক্ত করুন। এভাবে পোষ্টটি অথেনটিক হয়।
৬। আপনার নতুন পোষ্টর সাথে পুরাতন পোষ্ট লিংক করে দিন(ইন্টারনাল লিংক) , সুবিধা হলো গুগল রোবট যখন আপনার নতুন পোষ্ট এ আসবে তখন আপনার দেওয়া লিংকটি ও ঘুরে দেখবে ক্রল করবে এবং সেটিও র্যাংক করবে । আরেকটি সুবিধা হলো গুগল আপনার কন্টেন্টটি যে মান সম্মত তা বুঝবে কারণ এই রিলেটেড আপনার কাছে আরো তথ্য পোষ্ট করা আছে।
৭। আউট বাউন্ড লিংক: আউট বাউন্ড বলতে আপনার পোষ্ট থেকে অন্য আরেকজনের পোষ্ট এর লিংক দেওয়া। এটা অনেকটাই রেফারেন্স এর মতো কাজ করে। যেমন: বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত এ বিষয়ে লিখলেন, এ বিষয়ে আপনি কোথা থেকে জেনেছেন এবং এ বিষয়ে আরো তথ্য কোথায় আছে, তা উল্লেখ্য করলেন । গুগল বুঝলো যে এটা মান স্ম্মত কন্টেন্ট িঅনেক তথ্য রয়েছে এবং অধিক তথ্য দেওয়ার জন্য আরেকটি আরেকটি পোষ্ট কে রেফার করছে।
৮। ভিজিটর এর সাথে সম্পর্ক: আপনি ভিজিটর এর সাথে এমন ভাবে কথা বলবেন মানে হচ্ছে যে এমন ভাবে লিখবেন যে এই পোষ্ট টি তার জন্য ই লেখা এবং এই পোষ্ট তার জন্য সেরা। যেমন: তুমি কি এইটা খুজছো? তুমি সঠিক জায়গায় এসেছো।
৯। সার্চ ইন্জিন কে টার্গেট না করে কাষ্টমার/ভিজিটর করলে টার্গেট করুন।তাহলে গুগল আপনাকে টার্গেক করবে েএবং র্যাংক দিবে।
যেমন:১। তথ্য সম্মৃদ্ধ পোষ্ট, ২। ইউজার যাতে সহজেই পড়তে পারে.৩। ডিজােইন যাতে ভালো হয় ইত্যাদি।
১০। আপনার ওয়েবসাইট এর লোড স্পিড কমানো। কারণ গুগল সর্বচ্চ সেবায় বিশ্বাসী। গুগল এর কাছে একজন এসে একটি বিষয় খোজ করলো আর গুগল এমন একটি সাইট এর পোষ্ট দেখালো যেটিতে প্রবেশ করতে ভিজিটর এর অনেক কষ্ট হবে । তাই এরকম সাইটকে গুগল র্যাংক দেয়না। তাই আপনার ওয়েবসাইট এর স্পিড বাড়াতে হবে।
যদি এই পর্বটি ভালো লাগে তাহলে এই বিষয়টি নিয়ে বাঁকি আরো তথ্য টিপস ট্রিকস নিয়ে আরেকটি পর্ব তৈরী করবো ।
খারাপ লাগলে কমেন্ট করে জানাবেন, ভালো লাগলেও জানাবেন। এটিই আমার চাওয়া কারণ আমি বুঝতে চাই যে কারো কাজে লাগতেছে কিনা, কারো যদি কাজে না লাগে তাহলে আমার সময় নষ্ট করে লিখে কি লাভ, বা আপনাদের মুল্যবান সময় নষ্ট করে কেন আমার পোষ্ট পড়বেন। ধন্যবাদ।
আরেকটি বিষয় জানিয়ে রাখি যে, একটি পোষ্ট লিখতে অনেক সময় লাগে, কিভাবে লিখলে সবাই বুঝতে পারবে এ সমস্ত কারণে অনেক সময় লাগবে সুতরাং আমার পোষ্ট ভালো লাগলে ওয়েট করবেন, কোয়ালিটি ফুল সব লেখা উপহার দিতে চাই! সপ্তাহে ২টি টিউটোরিয়াল বানাব।ধন্যবাদ পাশে থাকার জন্য।
বি:দ্র: অভিজ্ঞ ভাই যারা আছেন দয়া করে বিরক্ত হবেন না কারণ অনেকে নতুন আছে তাদের জন্য একটু সহজ করে লেখা

Comments
Post a Comment