#অনপেইজ এসইও ২০১৯-শেষ পর্ব।

#অনপেইজ এসইও ২০১৯-শেষ পর্ব।
শুধু এটুকু বলতে চাই ভালো লাগলে শেয়ার করবেন, কমেন্ট করবেন।
10. Use Internal Links: Internal linking is SO money. Use 2-3 in every post.।
ইন্টারন্যাল লিংকিং হচ্ছে এরকম যে, আপনি যে কিওয়ার্ড টার্গেট করে কাজ করছেন বা পোষ্ট লিখছেন সেই পোষ্ট সম্পর্কিত আরো কোন তথ্য ভিজিটর কে দিয়ে ভিজিকর কে সর্বচ্চ সুবিধা দিচ্ছেন। এটি অনেকটাই ভিজিটর কে বোনাস দেওয়ার মত। যেমন: আপনি একটি মোবাইলের দাম নিয়ে পোষ্ট দিয়েছেন , এখন আপনার সাইটে যদি মোবাইল কি ভাবে ব্যবহার করতে হবে, কিভাবে যত্ন নিতে হবে ইত্যাদি নিয়ে আপনার সাইটে আগেই একটি পোষ্ট দেওয়া আছে । তাহলে ভিজিটর কে মোবাইল এর দামের পোষ্টে , আপনার আগের মোবাইলে কিভাবে ব্যভহার করবেন সেই লিংক দিয়ে দিন। এতে বাউন্স রেট কমনে ডিওয়েল টােইম বাড়বে এবং আপনার নতুন পোষ্টের সাথে পুরাতন পোষ্ট ও র‌্যাংক করবে এবং গুগল বোট ২ টি পোষ্ট এ ক্রল করবে। সুতরং ইন্টারন্যাল লিংকিং এ গুরুত্ত দিতে হবে।
11. Boost Site Speed:
দেখুন আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে যদি অনেক সময় লাগে তাহলে ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে চাইবে না , কারণ কারো সময় নেই যে ১৫-2০ সেকেন্ট অপেক্ষা করার এই ডিজিটাল ‍যুগে। আর গুগল ও চাইবে না এরকম বেশি সময় লাগে ওয়েবসাইটকে সার্চ এ দেখোতে কারণ গুগল ইউজার এক্সিপেরিয়েন্স কে সর্বচ্চ গুরুত্ব দেয়। তােই পোষ্ট র‌্যাংক করাতে হলে অবশ্যই ওয়েবসাইট এর লোর্ডি স্পিড কমাতে হবে।
12. Use Social Sharing Buttons
দেখুন যখন একজন ভিজিটর একটি পোষ্ট পড়ে তখন যদি আপনার পোষ্ট টি কোয়ালিটি ফুল হয় তখন ইউজার পোষ্টটি তাদের ফেসবুক,টুইটার লিংকেডইন , রেডিট এ শেয়ার করে । এতে করে আপনি আরো ট্রাফিক পাবেন তো বটেই আপনার পোষ্টটি যে সেরা সেটি গুগল বুঝতে পারবে , কারণ যদি পোষ্টটি খারাপ ই হয় তাহলে ইউজার শেয়ার করছে কেন? সু ইউজ শোয়র শেয়ার বাটন ইন ইউর পোষ্ট।
13.Boost Dwell Time :
আচ্ছা আপনার পোষ্ট কে র‌্যাংকিং করতে হলে অবশ্যই অনপেইজ এমন ভাবে অপটিমাইজ করতে হবে যাতে ডিওয়েল টাইম বেশি থাকে।
Dwell Time: The amount of time visitor stays on the webpage. Dwell time is used as a ranking signal.
১) Dwell কখন কম হয়? যখন একজন ইউজার কোন কুয়েরি লিখে সার্চ করলো, তারপর আপনার ওয়েবসাইটটি আসলো টপ 10 এর মধ্যে। যখন সেই কাষ্টমার/ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট এ তিনি যা চান বা যে সমস্যার সমাধান চান কিন্তু পেলেন না, তখন ওই ভিজিটর ব্যাক করে এবং সার্প এ থাকা বেটার ওয়েবসাইটে ভিজিট করে এবং নিজের সমস্যার সমাধান বা তথ্য খুজে নেয়।
কারণ: যখন কন্টেন্ট কোয়ালিটি লো
২) Dwell মধ্যম পর্যায়: যখন ইউজার সার্চ করে একটি ১০টি রেজাল্ট পেলো , সেখান থেকে ধরেন আপনার ওয়েবপেইজ এ ভিজিট করলো, তখন ভিজিটর দেখলো যে আপনার কন্টেন্ট মোটামোটি ভালো, কিন্তু পুরো পুরি ভালো না। তখন ইউজার কিছু সময় ওই পেইজ এ থাকে তার পর ব্যাক করে তার চেয়ে ভালো কন্টেন্ট খোজ করে। এভাবে Dwell টাইম কিছু সময় পাওয়া যায়।
কারণ: আপনার ওয়েবপেইজটি মোটামোটি ভালো কিন্তু পুরোপুরি ভালো না বা ইউজার ফেন্ডলি না।
৩) Dwell ভালো পর্যায়: যখন একজন ইউজার আপনি পেইজ এ ভিজিট করে, তখন দেখলো যে আপনার কন্টেন্ট ভালো , ইউজার ফ্রেন্ডলি, কমপ্লিট সমাধান রয়েছে তখন ইউজার সমস্যার সমাধান বা পুরো তথ্য নিয়ে বের হয় যায়। Dwell এভাবে ভালো পাওয়া গেল।
কারণ” আপনার কন্টেন্ট ভালো, ইউজার ফেন্ডলি
Dwell টাইম এর অর্থ হলো:
১)একজন ইউজার কখন ওয়েবপেইজ এ ভিজিট করলো
২) ওয়েবপেইজ কতক্ষণ সময় ধরে থাকলো
৩) কখন ওয়েবপেইজ বন্ধ করলো।
Dwell বাড়ানোর উপায়:
১।আপনার কন্টেন্ট কোয়ালিটিফুল হতে হবে।
২। ইউজার ফেন্ডলি হতে হবে
৩। ইউআই অথ্যাত আপনার সাইটের ডিজাইন ভালো হতে হবে।
৪। ওয়েবসাইট এর স্পিড অপটিমাইজ করে দ্রুত লোড করাতে হবে
৫। আপনার ওয়েবপেইজ এ যথেষ্ট মাল্টিমিডিয়া(ছবি.ভিডিও,ইনফোগ্রাফি) ব্যবহার করতে হবে।
৬। ইউজার এর চাহিদার চেয়েও এক্সট্রা কিছু উপহার দিতে হবে। যেমন: কেই যদি পরিক্ষার রুটিন খোজে তাহলে যেহেতু কয়েকদিন পর পরিক্ষা সেজন্য কিছু সাজেশান, পরিক্ষার ভালো করার উপায় ইত্যাদি দিতে পারেন।
৭। কন্টেন্ট লেন্থ অবশ্যই মিডিয়াম বা বড় হতে হবে । যেমন: 300+
The average Dwell Time for a Top 10 Google result is 3 minutes and 10 seconds.
If someone hits their back button immediately after landing on a page, it tells Google in black-and-white: this is low quality page.

14.CTR“ (Click Through Rate):
আচ্ছা আপনার পোষ্ট কে র‌্যাংকিং করতে হলে অবশ্যই অনপেইজ এমন ভাবে অপটিমাইজ করতে হবে যাতে সিটিআর বেশি থাকে।
CTR= click through rate. আপনার কন্টেন্ট যদি গুগল এ র‌্যাংক করে তাহলে এর মানে এই নয় যে, আপনার কন্টেন্ট গুগল এ র্যাংক সব সময় ই থাকবে। আপনার র‌্যাংককৃত কন্টেন্ট র‌্যাংকব্রেইন অ্যানালাইসিস করে , তারপর এই অ্যানালাইসের ফলাফল গুগল অ্যালগরিদমে পাঠায়। যদি আপনার কন্টেন্ট র‌্যাংকব্রেইনিং এর কাছে কোয়ালিটি ফূল মনে হয় তাহলে আপনার র্যাক কৃত কন্টেন্ট নিচে থাকে তাহলে আরো উপরে উঠবে আর যদি প্রথমেই থাকে তাহলে স্থায়ী প্রথমেই থাকবে । যতক্ষন না র‌্যাংকব্রেইন এর রুলস ভঙ্গ হয়।উপরে এ ব্যপারে আলোচনা করেছি।
CTR: যদি আপনার র্যাককৃত কন্টেন্ট এ ইউজার ক্লিক না করে তাহলে CTR কমতে থাকবে , আর যদি ক্লিক এর পরিমান বেশি হয় তাহলে CTR বাড়তে থাকল।
উদাহারণ: আপনার যদি একটি পোষ্ট প্রথম পেইজ এর 10 নম্বর পজিশন এ থাকে, আর যদি সেই পোষ্ট এ ইউজার পর্যাপ্ত ক্লিক না করে তাহলে আপনার পোষ্টটি আস্তে আস্তে নিচে নামতে থাকবে। আর যদি আপনার 10 নম্বর এর থাকা পোষ্টটিতে ইউজার পর্যাপ্ত ক্লিক করলো তাহলে আপনার পোষ্টটি আস্তে আস্তে র্যাক এর উপরের দিতে উঠতে থাকবে।
এই CTR বা কতজন ইউজার ক্লিক করলো এটি র‌্যাংকব্রেইন তথ্য সংগ্রহ করে এবং গুগল অ্যালগরিদম এ পাঠায়, র‌্যাংকব্রেইন দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গুগল রাংকিং দেয়।
CTR কিভাবে হিসাব করে: ইমপ্রেশন ভাগ ক্লিক এর পরিমান। ইমপ্রেশন কে ক্লিক এর পরিমান দিয়ে ভাগ করলেই CTR এর পরিমান পাওয়া যায়।
উদাহারণ: আপনার পোষ্টটির উপর ১০০ জন মাউস নিয়ে গেল কিন্তু কেই ক্লিক করলো না বাট করলেও ১জন মানে 0.01% এটি রাংকিং ফাক্টরের খারাপ প্রভাব ফেলে।
সর্বশেষ: কিভাবে CTR বাড়াবেন?
CTR বাড়াতে হলে-
১। আপনার টাইটেল আকর্ষনীয় হতে হবে, যাতে ইউজার ক্লিক করার প্রবণতা বাড়ে
২। আপনার কিওয়ার্ড এর সাথে “টপ ১০, ২০১৯, বেষ্ট” এর লেখা যোগ করা ইত্যাদি।
৩। মেটােডেস্ক্রিপশ এ আপনার আর্টিকেল সম্পর্কিত আকর্ষনীয় কিছু লিখা যাতে মানুষ বৃুঝতে পারে আপনার পোষ্টটি সেরা এবং কোয়ালিটি ফুল। কারণ একইরকম পোষ্ট অনেক রয়েছে। আপনাকে প্রমান করতে হবে যে আপনার পোষ্টটি সেরা। এভাবেই র্যার্ক ব্রেইন তথ্য গুগল এ পাঠায় , এবং র্যার্কব্রেইন এর সিদ্ধান্দ অনুযায়ী র‌্যাংকিং উপরে নিচে করে।
15. Relevant, Longform Content:
রিলেভিন্ট লংফ্রম কন্টেন্ট বলতে আমি বুঝাচ্ছি যে, আপরি যে কিওয়ার্ড টার্গেট করেছেন সেই সম্পর্কিত একটি তথ্য সমৃদ্ধ লম্বা একটি পোষ্ট লিখূন। অথ্যাত ইউজার যে যে তথ্য জানার আগ্রহ করতে পারে সব বিষয় এ অনুমান করে সব বিষয়ের সমাধান আপনার পোষ্টের মধ্যে রাখতে হবে। যাতে কাষ্টমার/ইউজার সর্বচ্চ সেবা পায়। এটির কোন নিদিষ্ট সিমা নেই পোষ্ট কে সর্বচ্চ তথ্য বহুল করতে যা যা লিখতে হবে , ইনপুট করতে হবে ততটুকু দিতে হবে। তবে ১৫০০-২০০০ শব্দের পোষ্ট সাধারণত ভালো র‌্যাংক করে।
16. Use Modifiers in Your Titles and Keywords
Modifiers are words like the following: best, 2019, review, guide, etc. আচ্ছা আমি মোডিফায়ার বলতে বুঝাচ্ছি যে, টাইটেল এর সাথে এমন কিছু শব্দ যোগ করে দেওয়া যাতে সিটিআর এর পারিমান বাড়ে, অথ্যাত ভিজিটর আকর্ষিত হয়ে আপনার পোষ্ট টি পড়দে আগ্রহি হয়।
17. On-Page SEO: Use Multimedia :
আপনি হয়ত জানেন একটি িকোয়ালিটিফুল পোষ্টের মধ্যে অনেক পরিমান ছবি, ইনপোগ্রাফি, চার্ট, টেবিল, ভিডিও যুক্ত করা থাকে। এর কারণ হলো ইউজারকে যে ভাবেই হোক না কেন সর্বচ্চ সেবা দেওয়া। যখন মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করবেন তখন ডিওয়েল বাড়বে কমে আসবে। ভিজিটর বেশি সময় আপনার সাইটে থাকবে। বাউন্স রেট কমে যাবে। সুতরাং আপনার ওই পোষ্ট র‌্যাংকিং এ আসবে।
18. Video Optimization
ভিডিও অপটিমাইজাশান বলতে আমি বুঝাচ্ছি যে, আপনি যে ভিডিও ব্যবহার করবেন সেই ভিডিও টাইটেল, খাম্বনেইল, বর্ণনা ভালো ভাবে লেখা যাতে আপনার পোষ্ট এ থাকা ভিজিটর আপনার ভিডিও দেখতে আকর্ষিত হয়।
19. Image Alt Tags & Descriptions:
ইমেইজ অল্টার ট্যাগ সম্পর্কে ধারনা সবার ই থাকার কথা । যাইহোক সম্পর্কে বলি, আপনি পোষ্টে যে ইমেজ ব্যবহার করবেন সেই ইমেজ কি রিলেটেড তা গুগল রোবট কে টেক্সট এর মাধ্যমে জানানো কারণ রোবট ছবি দেখে বুঝতে পারবে না যে এটি কি রিলেটেড ছবি। ইমেইজ বর্ণনা: ইমেইজ বর্ণনা বলতে আপনি যে ইমেই ইনক্লুড করবেন সে ছবি সম্পর্কে কিছু লিখুন , এভাবে আপনার কন্টেন্ট লেন্থ অনেক বড় করতে পারবেন।
20. Answer Common Questions and Include FAQs:
আচ্ছা , সাধারণ উত্তর গুলো দেওয়ার কথা কেন বলছি? কারণ এটি র‌্যাংকিং এ কাজ করবে , সরাসরি না করলে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স বেশি হওয়ার কারণে কাজ করবে। কারণ এটি ইউজার ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট গুগল ধরে নিবে। যেমন: আপনি অ্যাডশিন নিয়েপোষ্ট লিখলেন, আপনি সাধারণত ইউজার যে প্রশ্ন গুলো করতে পারে সেগুলোর উত্তর দিয়ে দিন । যেমন: কবে পরিক্ষা হবে, শেষ কবে েইত্যাদি
21. User Reviews:
আচ্ছা ইউজার রিভিউ হলো এমন একটি পদ্ধতী যে পদ্ধতীতে ইউজার আপনার পোষ্টটির মান ক্যামন তা রেটিং এর মাধ্যমে প্রকাশ করে । এই রেটিং সার্চ রেজাল্ট এ শো করে যখন ইউজার ভালো রেটিং দিবে তখন গুগল বুঝবে এটি ভালো কন্টেন্ট এটিকে র‌্যাংক দেওয়া যায়। এবং সোর্চ রেজাল্ট এ ভালো রেটিং দিখে ভিজিটর আপনার পোষ্টিতে প্রবেশ করবে , ট্রাফিক বাড়বে এবং সিটিআর বাড়বে।
প্রথম পর্বটি যারা দেখেন নাই তারা আমার প্রোফাইলে গ্রুপ লিংক দেওয়া আছে সেখান থেকে দেখে নিন।

Comments

Popular posts from this blog

কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস কি?

SEO Case Study: Abdullah Mamun Vai

Strategies to get Google ranking fast for website 2019.