#এসইও ২০১৯(পার্ট-১ এ থাকছে অনপেইজ এসইও )

#এসইও ২০১৯(পার্ট-১ এ থাকছে অনপেইজ এসইও )
[বানান ভুল থাকতে পারে ইগনর করুন]
পোষ্টটি অবশ্যই শেয়ার করবেন কমেন্ট করবেন
অনপেইজ এসইও (ON-PAGE SEO) এর বিভিন্ন উপাদান
একটি সাইটের ডিজাইন করার সময় কিছু সার্চ ইঞ্জিন করা হয় । যেন, সাইটটি সহজেই সার্চ ইঞ্জিন এ খুজে পায় । এটাই হচ্ছে অনপেইজ অপটিমাইজেশন ।
অনপেইজ অপটিমাইজেশন সার্চ ইঞ্জিন এর সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ । অনেক দক্ষতার সাথে অনপেইজ অপটিমাইজেশনের কাজ করতে হয় । কেননা, অনপেইজ অপটিমাইজেশন ভুল হলে সেই সাইট টি আর সার্চ ইঞ্জিন এ খুঁজে পাবে না
ওয়েবসাইট এর জন্য প্রাথমিক অনপেইজ কাজ হলো: এই অনপেইজের কাজ গুলো শুধু একবার ই করতে হয়।
Google Webmaster Tools
অনপেইজ এসইও এ প্রথম কাজ হলো আপনার সাইট কে গুগল ওয়েবমাষ্টারে সবমিট করা। কারণ গুগল ওয়েবমাষ্টারে সাবমিট করা মানে আপনার সাইটটিকে গুগল এর কাছে নিবন্ধিত করলেন এ কারণে যে আপনার সাইট থেকে গুগল তার ইউজার কে তথ্য শো করার অনুমতি পেল।

Setup The Google Search Console
Google সার্চ ইঞ্জিনের জন্য কোনও ওয়েবসাইটকে যুক্ত করতে হলে আপনাকে সবার আগে ওয়েবসাইটকে Google Webmaster Tools এর সাথে যুক্ত করতে হবে।
Setup Google Analytic
গুগল অ্যানালিটিকস আপনাকে ট্র্যাক করতে সাহায্য করবে কে বা কারা আপনার সাইট ভিজিট করছে,যখন তারা আপনার সাইটে ঢুকছে তখন তারা আসলে কী করছে, কখন তারা ভিজিট করছে এবং কোথা থেকে ভিজিট করছে এবং আপনার সাইটের কোন কোন কন্টেন্টগুলোর প্রতি ভিজিটরের আকর্ষণ বেশি।
কখন ভিজিট করছে, কোথা থেকে
এই টুলসটির মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন, কোন সময় আপনার সাইটটি বেশি ভিজিট হচ্ছে এবং কোথা থেকে ভিজিট হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি যে সময়টা ভিজিট হচ্ছে, আপনি সেই সমটিকে বেঁছে নিন আপনার আর্টিকেল সাবমিট করার জন্য, যদি সেই সময়টি আপনার সময়ের সঙ্গে না মেলে তাহলে সেই সময়ে পোস্ট করার জন্য শিডিউল পোস্ট ব্যবহার করতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেস এ কীভাবে শিডিউল পোস্ট করবেন তা দেখতে এই আর্টিকেলটি পড়ুন।
আপনার ভিজিটররা কোথা থেকে ভিজিট করছে তা আপনি এই টুলের মাধ্যমে জানতে পারবেন- মোট কথা তারা কীভাবে আপনার সাইটে আসছে তা জানতে পারবেন। তারা কি সরাসরি এসেছে, নাকি গুগল থেকে, ইয়াহু থেকে, বিং থেকে- কীভাবে এসেছে তা জানতে পারবেন। এই টুলটি আপনাকে দেখাবে কোন সোর্স থেকে আপনার ভিজিটর বেশি আসছে। আর এরফলে আপনি আপনার সাইটকে সেই প্লাটফর্মের জন্য বেশি বেশি এসইও করাবেন যে প্লাটফর্ম থেকে বেশি ভিজটর এসেছে। এরফলে সাইটের ভিজিটর বাড়বে।
s4. Install Yoast SEO (WordPress Users Only)
Robot.txt
রোবট ফাইল হল এক প্রকার ওয়েব প্রটোকল যা কিনা একটা ওয়েব সাইট এর মাঝে সার্চ ইঞ্জিন রোবট এর প্রবেশ এবং সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করে থাকে। যেমন সে কোন কোন তথ্য গুলা নিবে, কোন গুলা নিবে না ইত্যাদি নির্দেশ করাই Robots.txt ফাইলের কাজ ।
Robots.txt ফাইলের উপাদান সমূহ
১। User-agent (সার্চ ইঞ্জিন এর বোট গুলোর নাম নির্দেশ করে )
২। Disallow (সার্চ ইঞ্জিন কোনগুলো মনে রাখবে না তা বলে)
৩। Allow (সার্চ ইঞ্জিন কোনগুলো মনে রাখবে তা বলে))





Site map:
বর্তমানে সার্চ ইঞ্জিনগুলো খুবই শক্তিশালী এবং বুদ্ধিমান। তারা নিজেরাই ওয়েবসাইটে ঘুরে বেড়াতে পারে এবং বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এক্ষেত্রে সাইটম্যাপ শুধু সার্চ ইঞ্জিনকে তার কাজে সাহায্য করে। সাইটম্যাপে থাকা প্রতিটি লিংকই যে সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স হবে এমন কোনো গ্যারান্টী নেই – তবে তাদের ইনডেক্স হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
সহজ ভাষায়, সাইটম্যাপ একটি XML ফাইল যাতে কোনো ওয়েবসাইটের যাবতীয় লিংক আরোও কিছু তথ্যসহ থাকে – যার ফলে সার্চ ইঞ্জিনগুলো খুব সহজে এবং কার্যকরীভাবে ওয়েবসাইটে ঘুরে বেড়াতে পারে এবং প্রয়োজনীয় ওয়েবপেজগুলোকে ইনডেক্স করতে পারে। অতিরিক্ত তথ্যের মধ্যে ওয়েবপেজটি কবে সৃষ্টি হয়েছে, কবে সর্বশেষ আপডেট হয়েছে, ওয়েবপেজটি অন্য পেজের তুলনায় কত গুরুত্বর্পূণ ইত্যাদি থাকতে পারে।


আর প্রত্যেকটি পোষ্টের জন্য যে অনপেইজ প্রসেস গুলো করতে হয় তা হলো:
১.Keyword Research
কিওয়ার্ড রিসার্চ এবং কম্পিটিটর এনালাইসিস এবং লংটেউল কিওয়ার্ড ব্যবহার কৌশল:
কিওয়ার্ড রিসার্চ এসইওতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি কোন কিওয়ার্ডএর জন্য ওয়েবসাইট গুগল সহ অন্যান্য সার্চ ইন্জিনে রাংক করাতে চান তা প্রথমেই নির্ধারন করত হবে। প্রথমেই সাইটের জন্য এক বা একাধিক নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড (Keyword) বা শব্দগুচ্ছ বাছাই করতে হয়। কিওয়ার্ড বাছাই করার পূর্বে সময় নিয়ে গবেষণা করা প্রয়োজন। এমন একটি কিওয়ার্ড বাছাই করতে হয় যাতে এর প্রতিদ্বন্ধী কম থাকে। ধরা যাক অনলাইনে গেম খেলার একটি সাইটের জন্য যদি “Play Online Game” কিওয়ার্ড বাছাই করা হয়, তাহলে এই শব্দ দিয়ে গুগলে সার্চ করলে ১.৬ কোটি সাইটের ফলাফল হাজির হবে। তাদের মধ্যে হাজারও জনপ্রিয় সাইট পাওয়া যাবে যেগুলোকে অতিক্রম করে প্রথম পাতায় আসাটা প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে কিওয়ার্ডের সাথে আরো কয়েকটি শব্দ যদি যোগ করা যায় তাহলে দেখা যাবে প্রতিদ্বন্ধী ওয়েবসাইটের সংখ্যা কমে আসবে।
Keyword Research কি? সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করার জন্য আমরা যা কিছু লিখি তাই সেগুলোকে কিওয়ার্ড বলে।অর্থাৎ কিছু শব্দের সমন্বয় বা কোন ফ্রেজ যখন আমরা সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করার জন্য লিখি সেগুলোকেই কিওয়ার্ড বলে। বলা হয় যে কিওয়ার্ড হচ্ছে এস ই ও প্রান।
“BPL LIVE”, মূলত এটিই হচ্ছে কিওয়ার্ড। যার ফলে, সার্চ ইঞ্জিন SERPs রেজাল্ট পেজে কিছু রিলেভেন্ট রেজাল্ট শো করছে। অর্থাৎ সার্চ বক্সে আপনি যা লিখে সার্চ করবেন তাই কিওয়ার্ড।
1. Discover Long Tail Keywords .
2. Identify Low Competition Keywords .
২.Short, Descriptive URLs
আপনার পোষ্টটির জন্য অবশ্যই হিজিবিজি এবং বড় ইউআরএল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। ইউআরএল অবশ্যই ছোট এবং কিওয়ার্ড সমৃদ্ধ হতে হবে। অথ্যাত ইউআরএল এ আপনার মেইন কিওয়ার্ড রাখুন
Avoid ugly URLs:Or long URLs:
Of the two, which URL do you prefer?
mysite.com/on-page-seo–2019
mysite.com/…/ar…/5/1/2019/on-page-seo-checklist-2019/page/12
3.Clean Title Tags:
টাইটেল ট্যাগ বলতে পোষ্টের মেইন যে শিরোনাম তাকে বোঝায় এই মেইন টাইটেল কে অবশ্যই পরিষ্কার এবং আকর্ষনীয় হতে হবে যাতে ভিজির আপনার পোষ্ট এর টাইটেল দেখেই আপনার পোষ্ট পড়দে আগ্রহী হয়। নোট: টাইটেলিএ অবশ্যই আপনার মেইন কিওয়ার্ড র
On-Page SEO Checklist
4. Wrap Your Blog Post Title in an H1 Tag: The H1 tag is your “headline tag”.
আপনি আপনার পোষ্টের জন্য যে কিওয়ার্ড বাছাই করেছেন সেই কিওয়ার্ড ব্যবহার করে আকর্ষনীয় টাইটেল লিখতে হবে, সেই সেম কিওয়ার্ড এইচ ১ ট্যাগ এ ইউজ করতে হবে ।
5.H2 Tags:
Your H2 tags are your subheadings.আপনার সাব শিরোনাম কে এইচ ২ ট্যাগ এ রাখুন এবং সাব শিরোনাম /হের্ডিং রিলেটেড নিচে একটি প্যারাগ্রাফ লিখুন। এইচ ২ ট্যাগ এ আপনার কিওয়ার্ড রাখুন। These are used throughout the body of your text to divide your content into logical, scannable blocks. অথ্যাত প্যারাগ্রাফ / ব্লক কে আলাদা করার জন্য এইচ ২ ট্যাগ ব্যবহার করা হয়। এবং এটি সার্চ র‌্যাংকিং এ অনেক উপকারি এবং ইউজার ফ্রেন্ডলী কন্টেন্ট বলে গণ্য হয়।
6.Drop Keyword in First 100 Words
আপনার টার্গেট কৃত কিওয়ার্ড কে পোষ্টের শুরুর ১০০ শব্দের মধ্যে অবশ্যই ব্যবহার করবেন কারণ প্রথম প্যারাগ্রাফ হলো পোষ্টের ভুমিকা, ভুমিকাতে যদি পোষ্টের মেইন কেওয়ার্ড না থাকে তাহলে ক্যামন হয়।
7.Meta Descriptions:
Meta descriptions are another important SEO factor to pay attention to. Meta descriptions হলো আপনার পোষ্ট সম্পর্কিৃত সংক্ষিপ্ত একটি বক্তব্য, যেটি দেখে ভিজিটর + গুগল রোবট বুঝতে পারে যে এই পোষ্টটিতে কি বিষয়ৈ আলোচনা করা হয়েছে। এটি অবশ্যই র‌্যাংকিং এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। সুতরাং Meta description আপনার কিওয়ার্ড রাখতে হবে।
Meta descriptions are small snippets of text that describe a page’s content. Its purpose is to explain to search engines what a page is about.

8. Use Responsive Design
Google started penalizing mobile unfriendly sites in 2015. অনপেইজ এসইও এর আরেককি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আনার ওয়েবসাইটকে অবশ্যই রেসপনসিভ হতে হবে এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর। রেসপনসিভ না হলে আপনার ওয়েবসাইট কে গুগল পেনাল্টি দিতে পার্
9. Use Outbound Links
আইটবাউন্ড লিংক বলতে আপনি যে বিষয়ে পোষ্ট লিখেছেন সেই বিষয় সম্পর্কে আরো কোন তথ্য ইউজার কে জানানোর জন্য আরেকটি কোয়ালিটিফুল সাইটকে রেফার করা । এতে গুগল বুঝতে পারে যে আসলেই আপনি ইউজার এর যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং আপনার পোষ্টটি তথ্য সমৃদ্ধ এবং ইউজার কে আরো বেশি কিছু জানানোর জন্য আরেকটি রাস্তা বা লিংক দিচ্ছেন যেখান থেকে ভিজিটর আরো তথ্য নিতে পারে। সুতরাং আইটবাউন্ড লিংক অবশ্যই পোষ্টের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে নিশ্বাসার্থ ভাবে ভিজিটর কে সর্বচ্চ সুবিধা দেওয়ার জন্য । ভুলেও ভাববেন না যে আপনি কেন আরেকজনের লিংক দিবেন কেন তার কাছে ট্রাফিক পাঠাবেন, হিংসা করলেন তো আপনি নিজেই বঞ্চিত হলেন।
10. Use Internal Links
Internal linking is SO money. Use 2-3 in every post.।
ইন্টারন্যাল লিংকিং হচ্ছে এরকম যে, আপনি যে কিওয়ার্ড টার্গেট করে কাজ করছেন বা পোষ্ট লিখছেন সেই পোষ্ট সম্পর্কিত আরো কোন তথ্য ভিজিটর কে দিয়ে ভিজিকর কে সর্বচ্চ সুবিধা দিচ্ছেন। এটি অনেকটাই ভিজিটর কে বোনাস দেওয়ার মত। যেমন: আপনি একটি মোবাইলের দাম নিয়ে পোষ্ট দিয়েছেন , এখন আপনার সাইটে যদি মোবাইল কি ভাবে ব্যবহার করতে হবে, কিভাবে যত্ন নিতে হবে ইত্যাদি নিয়ে আপনার সাইটে আগেই একটি পোষ্ট দেওয়া আছে । তাহলে ভিজিটর কে মোবাইল এর দামের পোষ্টে , আপনার আগের মোবাইলে কিভাবে ব্যভহার করবেন সেই লিংক দিয়ে দিন। এতে বাউন্স রেট কমনে ডিওয়েল টােইম বাড়বে এবং আপনার নতুন পোষ্টের সাথে পুরাতন পোষ্ট ও র‌্যাংক করবে এবং গুগল বোট ২ টি পোষ্ট এ ক্রল করবে। সুতরং ইন্টারন্যাল লিংকিং এ গুরুত্ত দিতে হবে।

Comments

Popular posts from this blog

কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস কি?

SEO Case Study: Abdullah Mamun Vai

Strategies to get Google ranking fast for website 2019.